মামলাবাজির অভিযোগে হয়রানির শিকার পরিবার, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

প্রকাশিত: ৫:০৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৮, ২০২৬ 55 views
শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পাগলা ইউনিয়নের ঘোড়াডুম্বুর গ্রামের বাসিন্দা কাজী নজরুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেশী শাখাওয়াত হোসেন ও জুলহাস হোসেন গংদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক মামলাবাজি, হামলার চেষ্টা ও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) বেলা ২টায় উপজেলার পাগলাবাজারের একটি কক্ষে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন।

বক্তব্যে কাজী নজরুল ইসলাম দাবি করেন, তাদের পরিবার প্রায় ৫০ বছর ধরে পূর্বপুরুষদের থেকে প্রাপ্ত জমিতে বসবাস করে আসছে। সম্প্রতি ওই জমিতে ভবন সম্প্রসারণের কাজ শুরু করলে প্রতিপক্ষ শাখাওয়াত ও জুলহাস বাধা প্রদান করে এবং লাঠিসোটা নিয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। স্থানীয়দের উপস্থিতিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হলেও পরবর্তীতে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, শাখাওয়াত ও জুলহাস গং গত কয়েক বছরে আমাদের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ ও সিলেটে অন্তত ১০ থেকে ১৫টি মামলা দায়ের করেছেন, যার অধিকাংশই মিথ্যা ও প্রতিহিংসামূলক। এসব মামলার মধ্যে তাদের আত্মীয়স্বজনও রেহাই পায়নি। এমনকি অতীতে নিজেদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের অভিযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ শাখাওয়াত নিজেদের প্রতিবন্ধী পরিচয় ব্যবহার করে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সহানুভূতি আদায় করে মিথ্যা মামলা দিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে থাকে।

এ পরিস্থিতিতে কাজী নজরুল ইসলাম তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং চলমান হয়রানি বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

অভিযুক্ত জুলহাস হোসেন বলেন, আমরা দুই ভাই প্রতিবন্ধী। আমরা নিজেরাও চলতে পারি না। আমাদের পক্ষে একাধিক মামলা করা কীভাবে সম্ভব? তাছাড়া সিলেটে আমাদের কিছু সম্পত্তি তারা জবরদখল করে রেখেছেন। আমরা তো আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই মামলা দায়ের করা ছাড়া কোনো উপায় নাই। আমরা কাউকে হুমকি ধামকি দেইনি। আমরা কারো বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করিনি।

এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ থানার ওসি অলী উল্লাহ বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।