স্থানীয়রা জানান, শহিদ মিয়া গ্রামের মধ্যে সন্দেহজনকভাবে হাটাহাটি করছিলেন। তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় লোকজন তাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে উদ্যত হতেই দৌঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তখন তার হাতে উদ্ধাকৃত পলিথিনের ব্যাগটি ছিলো। পরে উপস্থিত সাধারণ মানুষ দৌঁড়ে তাকে আটক করেন এবং পলিথিন ব্যাগটিও উদ্ধার করেন। ব্যাগে ১ কেজি গাঁজা পাওয়া গিয়েছে৷ যার ভিডিও স্থানীয় ও এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৩ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন আটককৃত শহিদ।
গাঁজা উদ্ধারের পর শহিদ মিয়াকে আটক করে রাখেন আসামমুড়া গ্রামবাসী এবং শান্তিগঞ্জ থানায় খবর করেন। খবর পেয়ে এসআই সেলিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেলিমকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসেন।
আসামমুড়া গ্রামের বাসিন্দা ও সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক এইচ এম নাছির বলেন, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে একদম ‘জিরোটলারেন্স’ অবস্থানে আছি। কোনো অবস্থাতেই মাদক কারবারি ও সেবীদের প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। মাদক নির্মুল করতে সরকার ও প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে আমরা বদ্ধপরিকর। আসামমুড়া গ্রামবাসীকে ধন্যবাদ। দারুণ একটি কাজ করেছেন তারা। ‘যেখানে মাদকের থাবা, সেখানে সাধারণ মানুষের এ্যাকশন’- এই নীতিতে এগিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ।
শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলি উল্লাহ ঘটনার সত্যতার স্বীকার করেন।