আমরা বড় গলায় সব সময় বলি , আমাদের বর্তমান সরকার প্রবাসী বান্ধব সরকার। প্রবাসীদের কল্যানার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে অনেক গুলো যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকার গ্রহণও করেছে অনেক যুগান্তকারি পদক্ষেপ। তারপরও আছে নানা বেদনার গল্প..
এই রেমিট্যান্স যোদ্ধারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অনবরত ব্যাংকের রিজার্ভ বৃদ্ধি করে চলেছে। তাঁদের জন্য রেমিট্যান্সের উপর ইনটেন্সিভ দেওয়া কিংবা প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক করা অথবা মৃত ব্যক্তির লাশ রাষ্ট্রীয় খরছে প্রেরণ, এ সবই হচ্ছে শেখ হাসিনার প্রবাসীদের প্রতি সদয় দৃষ্টি।
কিন্তু প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বা পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে কিছু সংখ্যক প্রবাসী বিদ্বেষী বিশ্ব বাটপার সাহেদের মত মানুষ বসে আছে, যা হয়ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি গোচর নয়।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি ওপেন সেক্রেট। এরা প্রবাসীদের উপর স্টিম রোল চালানোর সুযোগ পায় না। কিন্তু মহামারি করোনাভাইরাস এদের কে এই সুযোগ করে দিয়েছে। আজকে যারা দেশে আটকা পড়ে আছেন প্রায় তিনলক্ষ প্রবাসী, এদের করোনা সার্টিফিকেট বাধ্যতা মুলক।
এখন এই সার্টিফিকেট নিতে গেলে একজন রেমিট্যন্স যোদ্ধাকে দিতে হয় প্রায় চার হাজার টাকা। একজন লোকের করোনা টেস্টে কত খরচ হয়? বড়জোর ৭/৮ শত টাকা। কিন্তু প্রবাসীর ক্ষেত্রে কেন এত অধিক?
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মনে করছে এই ত সুযোগ। দেশে আটকা পড়া এই নিঃস্ব লোকগুলোর কাছ থেকে চেপে চিপে যত টুকু রস বের করে নাও। একটি বার কী এই সোনার ডিম পাড়া হাঁস গুলোর কথা ভেবে দেখবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী?
ভরসা শুধু আপনার উপরে। বাকী যারা আছে মন্ত্রী থেকে সচিব পর্যন্ত, সব গুলোই হয় আতেল, নয়তো বিশ্ব বাটপার সাহেদের মত ভন্ড।
এরা প্রবাসে গিয়ে বোকা বাঙালী কে শুধু ভাঁওতাবাজির আশ্বাস সুধায়।
তাই প্রবাসীদের করোনা টেস্টের এই অতিরিক্ত চার্জ বাতিলের জন্য প্রবাসীদের পক্ষ থেকে জোর দাবী জানাচ্ছি।


