শান্তিগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩

প্রকাশিত: ৯:২৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ৯, ২০২৬ 230 views
{“remix_data”:[],”remix_entry_point”:”challenges”,”source_tags”:[],”origin”:”unknown”,”total_draw_time”:0,”total_draw_actions”:0,”layers_used”:0,”brushes_used”:0,”photos_added”:0,”total_editor_actions”:{},”tools_used”:{},”is_sticker”:false,”edited_since_last_sticker_save”:false,”containsFTESticker”:false}
শেয়ার করুন
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাঁক ইউনিয়নের মুরাদপুর গ্রামে একই গোষ্ঠীর দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গ্রামের উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মুরাদপুর গ্রামের লাল মিয়া গোষ্ঠীর আক্কল আলী ও তাঁর চাচাতো ভাই কালাই মিয়ার পরিবারের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। বৃহস্পতিবার আক্কল আলীর ভাতিজা সূর্য আলমকে মোবাইল ফোনে হুমকি দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে আক্কল আলী পক্ষের মৃত আলাল নূরের ছেলে শামসু আলম (৩২), হিরন আলম (১৬) এবং আক্কল আলীর ছেলে সুহেদ আলম (৩০) আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ঘটনার পর কালাই মিয়া এবং তাঁর দুই ছেলে মুসা আলম ও মেহের আলমকে এলাকায় দেখা যায়নি। তারা আহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আক্কল আলীর পক্ষের সূর্য আলমের দাবি, কালাই মিয়ার এক শ্যালক তাকে ফোনে হুমকি দেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে কালাই মিয়ার দুই ছেলে উত্তেজিত আচরণ করেন। একপর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। এতে তার ভাইসহ তিনজন আহত হন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কালাই মিয়ার স্ত্রী রোকসানা বেগম। তিনি বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। কী ঘটেছে, তা বুঝে ওঠার আগেই সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি তাঁর স্বামী ও দুই ছেলেকে খুঁজে পাননি। এখনো তাঁদের অবস্থান সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।
শিমুলবাঁক ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সাজু মিয়া বলেন, তিনি উপজেলা সদরে ছিলেন। গ্রাম থেকে ফোনে সংঘর্ষের খবর পান। পরে পুলিশও তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং ঘটনাস্থলে যায়।
শান্তিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাদী আবদুল্লাহ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। আহত ব্যক্তিরা এর আগেই হাসপাতালে চলে যান। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।