সিলেটের আলোচিত সেই ভিসি ফরিদ কেন ক্ষমা চাইলেন

মাহবুব জয়নুল মাহবুব জয়নুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১১:৩২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৫, ২০২২ 1,129 views
শেয়ার করুন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন শাহজালালের উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

 

তার অপসারণের দাবিতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশনের মধ্যেই সোমবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে অধ্যাপক ফরিদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামকে ফোন করে এ ক্ষমা চান।

পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন, সেজন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের মাধ্যমে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

তিনি বলেন, তার বক্তব্য সম্পাদনা (এডিট) করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। এতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একই সাথে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট সকলেই আহত হয়েছেন। তিনি এ বিষয়টি অনুধাবন করছেন।

তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদার ও প্রগতিশীল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ তাকে ক্ষমা করে দেবেন।

এদিকে, শাহজালাল বিশ্বাবিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অনশন অব্যাহত রয়েছে। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১৯ শিক্ষার্থী। একই দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতীকী অনশন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে বুধবার থেকে অনশন করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। রোববার বিকেলে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে মানবপ্রাচীর তৈরি করে আন্দোলনকারীরা। রোববার থেকে বাসভবনে বন্ধ রয়েছে বিদ্যুত সংযোগ।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, শিক্ষামন্ত্রীর সাথে ভার্চুয়াল মিটিংয়ে উপাচার্যের পদত্যাগ নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত আসেনি। তাই, তাদের আন্দোলনও চলবে।

শাহজালালের শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ ঘণ্টার প্রতীকী অনশন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।

এসময় শিক্ষকরা জানান, দলীয় বিবেচনায় উপাচার্য নিয়োগ দেয়ায় এই অবস্থা। ফরিদ উদ্দিন আহমেদের দ্রুত পদত্যাগ দাবি করেন তারা। এদিকে, একই দাবিতে প্রতীকী অনশন করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও