যুক্তরাজ্যে সভা: অনুমোদিত স্থানেই সুবিপ্রবি’র স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবি

যুক্তরাজ্যে প্রবাসীদের সভা

প্রকাশিত: ৮:০২ অপরাহ্ণ, জুন ৩০, ২০২৬ 114 views
শেয়ার করুন
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত স্থানেই দ্রুত স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবিতে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সুনামগঞ্জবাসীর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০ জুন, বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ব্রিকলেন জামে মসজিদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
‘সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদিত স্থানে দ্রুত নির্মাণ বাস্তবায়ন পরিষদ, ইউকে’র উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আবুল লেইছ। সদস্য সচিব অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ছানাওর আলী কয়েছ, যুগ্ম সদস্য সচিব দিলাওর হোসেন ও মাহবুবুর রউফ নয়ন যৌথভাবে সভা পরিচালনা করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন সৈয়দ জিল্লুল হক।
সভায় যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সুনামগঞ্জ জেলার ১২ উপজেলার প্রবাসী নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। বক্তব্য দেন ক্রয়ডন কাউন্সিলের মেয়র মোহাম্মদ আখতার ইসলাম, কাউন্সিলর ফয়জুর রহমান, নূরুল আমিন, ড. রোয়াব উদ্দিন, প্রফেসর ওমর ফারুক, কামরুজ্জামান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান সুমন, ব্যারিস্টার জয়নাল আবেদীন, অ্যাডভোকেট আমীর উদ্দিন, ইকবাল হোসেন, রেদোয়ান খান, নজরুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস অনুমোদিত স্থানেই বাস্তবায়ন করা উচিত। এ বিষয়ে সংসদে প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কয়সর এম আহমেদ এবং সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিমউদ্দিন আহমদ মিলনকে ধন্যবাদ জানান তাঁরা। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে তাঁদের মনোনীত করায় উপাচার্যের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি মহল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস অন্যত্র স্থানান্তরের চেষ্টা করছে। তাঁরা এ ধরনের উদ্যোগ থেকে সরে এসে বৃহত্তর সুনামগঞ্জের স্বার্থে অনুমোদিত স্থানেই স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
এ ছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দ্রুত নির্মাণকাজ শুরুর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সুনামগঞ্জের অন্যান্য সংসদ সদস্যদেরও এ দাবি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান বক্তারা।
সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আবুল লেইছ বলেন, অনুমোদিত স্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।