আমিরাতে প্রবাসী অধিকার ঐক্য পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
ভিসা জটিলতা নিরসনে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ দাবি
বর্ণাঢ্য আয়োজন, আলোচনা সভা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে উদযাপিত হয়েছে অরাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার ঐক্য পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) আজমানের কাচ্চি ডাইন রেস্টুরেন্টের হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি শহীদ সারোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন মোতাব্বির হোসেন রাজু ও জুনায়েদ আলম আলফু। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা কালাম মাহমুদ এবং প্রধান বক্তা ছিলেন উপদেষ্টা জসিম মজুমদার। স্বাগত বক্তব্য দেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ইয়াসিন আলী।
বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা ওমর ফারুক এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রকৌশলী আতিকুর রহমান সিআইপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গালফ লাইন গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দেলোয়ার মাসুদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য নূরের নবী, নুরুল ইসলাম, গিয়াস মোহাম্মদ এবং ইউএই সভাপতি হাসিবুল ইসলাম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি নেতা হারুনুর রশিদ রঙ্গু, দরবেশ আলী, মাসুক মিয়া, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। অথচ বিদেশের মাটিতে কর্মরত প্রবাসীরা প্রতিনিয়ত নানা সমস্যা ও হয়রানির সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা, দূতাবাস ও কনস্যুলেটের সেবার মান বৃদ্ধি এবং ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
তারা আরও বলেন, প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দুর্দশা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধান করা গেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও গতিশীল হবে এবং দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে সংগঠনের তিনজন সম্মানিত নেতৃবৃন্দকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জুনায়েদ আলম আলফু। পাশাপাশি সংগঠনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নারী সদস্যদের বিশেষভাবে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ আয়োজন প্রবাসীদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য, সম্প্রীতি ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনকে আরও সুসংহত করার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয়।


