একক প্রার্থীর প্রত্যাশায় মুশতাক, ‘সুইং ভোটারদের’ উপর ভরসা হোসাইনের

প্রকাশিত: ৯:৩৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 105 views
শেয়ার করুন
শান্তিগঞ্জ উপজেলায় গণসংযোগ করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ আসনে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী হাফিজ শেখ মুশতাক আহমদ (দেয়াল ঘড়ি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হোসাইন আহমদ মিশেল (ফুটবল)। রবিবার বিকাল ৫টায় উপজেলার পাগলা বাজারে পৃথকভাবে এ গণসংযোগ করেছেন তারা। গণসংযোগের সময় দুই প্রার্থীর কর্মী সমর্থকেরা সাথে ছিলেন।
পাগলা বাজারের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তারা তাদের প্রচারণা শুরু হয়। পরে বাজারের প্রধান প্রধান গলি ঘুরে ভোটারদের কাছে ভোট ও দোয়া কামনা করেন তারা। এসময় ভোটারদের সাথে কুশল বিনিময়, লিফলেট বিতিরণ করেছেন তারা।
প্রচারণা শেষে খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী হাফিজ শেখ মুশতাক আহমদ বলেন, শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছি। ভোটাররা প্রচণ্ড সাড়া দিচ্ছেন। তারা আমাদের আশ্বস্ত করছেন। বলছেন ভোট দেবেন। আমরা আমাদের কল্পনার বাইরে সাড়া পাচ্ছি। ভোটার এখন একটি পরিবর্তন চান। গতানুগতিক রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে এই পরিবর্তনটা তারা করতে চাচ্ছেন। আমি অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় ব্যতিক্রম।
১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে নিজের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, অচিরেই জোটের মধ্যে একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা কবে। আর সে একজন প্রার্থী হবো আমি। মানুষ মুখিয়ে আছে, কখন জোট একক প্রার্থী ঘোষণা দিবে। একজন প্রার্থী হয়ে আসতে পারলে আমরা ভোট বিপ্লব করবো ইনশাল্লাহ্। এই আসনে বিজয় ছিনিয়ে আনলে যারা আমাদের সাথে থাকবে তাদের অন্যান্য ক্ষেত্রে সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, কোনো বিতর্কিত মানুষকে যেনো একক প্রার্থী করা না হয়। আমাদের সুযোগ দিলে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত। বিজয়ী হলে সুনামগঞ্জ-৩ আসনকে একটি মডেল আসেনে রূপান্তরিত করবো।
স্বতন্ত্র ও জেলার সবচেয়ে কণিষ্ঠ প্রার্থী হোসাইন আহমদ মিশেল বলেন, আমার প্রতীক ফুটবল। আমি সুনামগঞ্জ-৩ আসনে একমাত্র নির্দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী। বাকী যারা আছেন তারা বিভিন্ন দল থেকে বহিষ্কৃত বা বঞ্চিত। সুতরাং কোনো না কোনো ভাবে তারাও দলীয়। একটি জরিপের কথা উল্লেখ করে মিশেল বলেন, প্রায় ৪৮.৫ শতাংশ ভোটার কোনো দলকেই সমর্থন করেন না। এদের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার। তাদেরকে সুইয়িং ভোট বা দোদূল্যমান ভোট বলা হয়। তারা খুব দৃঢ়ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের নয়। তাদের প্রতি আমি খুবই আশাবাদী। আমি সেসব ভোটারদের প্রতি আস্থা রেখে কাজ করছি। আশা করছি তারা নিরপেক্ষ এবং আমি আরেক নিরপেক্ষ প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন। আমি নির্বাচিত হলে প্রথাগত রাজনীতি ভাঙবো।
সাবেক মন্ত্রী এম এ মান্নানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তাঁরে সাথে আমার কথা হয়েছে। তিনি কাউকে সমর্থন করেননি। অথচ একজন প্রার্থী খুব প্রচার দিচ্ছেন, মন্ত্রী সনাহেব নাকি তাকে সমর্থন দিয়েছেন। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। যারা মিথ্যা কথা  বলে নির্বাচিত হতে চায় তারা জনগণের সাথেও মিথ্যাচার করবে।