দুবাইয়ে মাহতাবুর রহমান নাসির এর গ্লোবাল এক্সিলেন্স এওয়ার্ড অর্জন
জাহাঙ্গীর কবীর বাপপি জাহাঙ্গীর কবীর বাপপি
সাংবাদিক, আবুধাবী
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি মালিকানাধীন আন্তর্জাতিক সুরভী প্রতিষ্ঠান আল হারামাইন পারফিউম এর সিইও মাহতাবুর রহমান নাসির দুবাইয়ের সম্মানজনক গ্লোবাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। গতকাল ১৮ মে রাতে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল দুবাই ফেস্টিভ্যাল সিটিতে অনুষ্ঠিত অষ্টম গ্লোবাল এক্সিলেন্স এওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি আমিরাতের ফেডারেল সরকারের টলারেন্স এন্ড কো-এক্সিস্টেন্স মিনিস্টার শেখ নাহিয়ান বিন মোবারক আল নাহিয়ান এর হাত থেকে গ্লোবাল পারফিউম ইন্ডাস্ট্রিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এই এওয়ার্ডটি গ্রহণ করেন। এ সময় অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসা আল গুরেইর ইনভেসমেন্ট এর চেয়ারম্যান ইসা আব্দুল্লাহ আল গুরেইর।
আল হারামাইনের সুগন্ধি বিশ্বে আজ এক সুপরিচিত নাম। সৌদি আরবের মক্কা মুনওয়ারায় ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠানটি তার যাত্রা শুরু করে। মক্কার মসজিদুল হারাম এর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়। ১৯৯২ সালে আল হারামাইন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানের রুমাইলাতে আগর কাঠ প্রসেসিং ও ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্টে বিনিয়োগ করে এবং আরব আমিরাত হতে পুরোদমে পারফিউম প্রক্রিয়াজাতকরণ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রফতানি সক্ষমতার সুবিধা গ্রহণের জন্য মক্কা থেকে দেশটিতে ব্যবসা স্থানান্তর করা হয়েছিল। ১৯৯৭ সালে আল হারামাইন আমিরাতের আজমানের নতুন শিল্প অঞ্চলে সুগন্ধি কারখানা চালু করে। ১৯৯৮ সালে আল হারামাইন কুয়েতের খুচরা বাজারে প্রবেশ করে। ১৯৯৯ সালে সর্বপ্রথম আল হারামাইন দুবাইয়ের শুল্কমুক্ত বাজারে প্রবেশ করে। ধীরে ধীরে আল হারামাইনের এই সুগন্ধি বালুময় আরবের সীমানা ছাড়িয়ে যুক্তরাজ্য সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার মতো পর্যটন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
বাংলাদেশ ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ওমান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে আল হারামাইন পারফিউমসের শোরুম রয়েছে।


