সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে শুরু হয়েছে ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন। শুক্রবার সকাল থেকে সদর উপজেলার সিমলা ও পাঁচঠাকুরি এলাকার প্রায় শতাধিক বাড়ি ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফলতির কারনে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী। এই ভাঙ্গনের ফলে হুমকীর মুখে পড়েছে আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের সহস্রাধিক বাড়ি-ঘর।
এদিকে শনিবার সকাল ১১টার দিকে যমুনা নদীর ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত সদর উপজেলার সিমলা-পাঁচঠাকুরী এলাকা পরিদর্শন করেছেন পনি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, আগে যে স্পারগুলো সঠিক ডিজাইন এবং যতেষ্ট শক্তিশালীভাবে নির্মান করা হয়নি। সে জন্য এগুলো রাখা যাচ্ছে না। তবে এখন এগুলো স্থায়ী ভাবে করা হবে। ফলে ভাঙ্গন সমস্যার স্থায়ী সমস্যা হবে। এখন যে স্পার গুলি নির্মান করা হচ্ছে তা অনেক উন্নত মানের।
তিনি বলেন, সিরাজগঞ্জে নদীর তীরের ৮০ কিলেমিটারের মধ্যে ৬৭ কিলোমিটারের তীর সংরক্ষন বাঁধের কাজ শেষ হয়েছে। আগামী অর্থ বছরে বাকী ১৩ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষন বাঁধের কাজ শুরু হবে।
পরে তিনি নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ ২৫০ পরিবারের মধ্যে ত্রান সামগ্রী বিতরন করেন।


