৮ বছরে হাজার তরুণীকে দুবাইয়ে পাচার, বাধ্য করা হয় দেহ ব্যবসায়

প্রকাশিত: ২:১০ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০২০ 951 views
শেয়ার করুন

 

প্রথমে হোটেলে চাকরি দেয়ার কথা বলে ২০-২২ বছরের তরুণী কিশোরীদের প্রলুব্ধ করা হতো। বিশ্বস্ততা অর্জনে বেতন হিসেবে ২০-৩০ হাজার টাকা নগদ পরিশোধও করা হতো। শুধু তাই নয় দুবাইয়ে যাওয়া-আসা বাবদ সব ধরনের খরচও দিত দালাল চক্র। কিন্তু দুবাই যাওয়ার পর তাদেরকে হোটেলে জিম্মি করে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসাসহ ডান্স ক্লাবে নাচতে বাধ্য করা হতো।

গত আটবছরে এভাবে প্রলুব্ধ করে চাকরির নামে দেশের হাজারেরও বেশি তরুণী কিশোরীকে দুবাইয়ে পাচার এবং তাদের দেহ ব্যবসায় জড়াতে বাধ্য করেছে আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্র।

চক্রটির বাংলাদেশের মূলহোতা আজমসহ দুই সহযোগীকে গ্রেফতারের পর এসব তথ্য জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। গ্রেফতার অন্যরা হলেন ময়না ও মো. আলামিন হোসেন ওরফে ডায়মন্ড।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে সিআইডির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম প্রধান ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, মানব পাচার একটি ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম।

‘দুবাইতে এ চক্রের গডফাদার আজমের তারকাবহুল বিলাসবহুল হোটেলের সন্ধান পেয়েছি। সে ফরচুন পার্ল হোটেল অ্যান্ড ড্যান্স ক্লাব, হোটেল রয়েল ফরচুন, হোটেল ফরচুন গ্রান্ড ও হোটেল সিটি টাওয়ারের অন্যতম মালিক। এরমধ্যে তিনটি হচ্ছে ফোর স্টার একটি থ্রি স্টার মানের। তিনি বাংলাদেশে অর্ধশত দালালের মাধ্যমে কিশোরী অথবা ২০-২২ বছরের মেয়েদের উচ্চ বেতনে কাজ দেয়ার কথা বলে প্রলুব্ধ করতো।’