বিয়ানীবাজার মানবসেবায় মুখ্য ভূমিকায় কিছু জনপ্রতিনিধি  ও এক ঝাঁক তরুণ

প্রকাশিত: ১:১৩ অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০ 851 views
শেয়ার করুন

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাহার হাবীব কে পাঠিয়েছেন সকল মানব জাতিকে হেদায়েত জন্য।তাই তিনি  সৎ কাজের আদেশ আর অসৎ কাজের নিষেধ করে গিয়েছেন।নবীর মুখ নিঃসৃত বানীই হলো হাদীস। কোরআন যেমন আল্লাহ বানী চিরন্তন সত্য তেমনি রাসুলুল্লাহ ( সাঃ) হাদীস নিঃসন্দেহে সত্য।একটি কে অস্বীকার করলে অন্যটি আস্বীকার করা হয়।এমন কি ঈমান থাকে না।তাই আমার প্রশ্ন ,এই মহামারির কালে রাসুলুল্লাহ ( সাঃ) এ হাদীস টি কতখানি আমল করতে পারলাম একটু চিন্তা করে দেখুন প্রিয় তরুন ও যুবক ভাইরা। রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন–

“মহামারিতে মারা যাওয়া প্রত্যেক ব্যাক্তিই শহীদ”(মিসকাতুল মাসাবীহ্ ১৫৪৬)।

প্রশ্নঃ মৃত্যু ব্যাক্তিকে নিয়ে আমরা কি সমালোচনা করতে পারি? হে তরুন ভাইরা।
বিয়ানীবাজার তরুনরা ঃ জি না,।
বিয়ানীবাজারের তরুনরা অনেকটা মৃত্যু ব্যাক্তির সমালোচনা থেকে মুক্ত ।তাই জনগন সন্তুষ্ট বিয়ানীবাজার উপজেলার সকল তরুণদের কাজে।

বৈশ্বিক মহামরিতে সরকারের পাশাপাশি বিয়ানীবাজার কিছু সংখ্যক আওয়ামীলীগ নেতা ও বিঃ উপজেলার কিছু জনপ্রতিনিধি এবং দেশী-বিদেশী তরুণের ভূমিকাই মূখ্য।তাই আওয়ামীলীগ নেত্রীবৃন্দের নাম এবং জন প্রতিনিধিদের  নাম উল্লেখ না করলে  আমি আমার বিবেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হব।তাই তাদের নাম উল্লেখ করছি এবং তাদের মত জন প্রতিনিধির উৎসাহে শত যুবক জনসেবায় আত্ননিয়োগ করে ,যা চোখে পড়ার মত। তাছাড়া আমাদের সংসদ জননেতা নরুল ইসলাম নাহিদ ও জননেতা সরোয়ার হোসেন সাহেব এবং বিঃ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব আতাউর রহমান খান ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আওয়াল,ও বিয়ানীবাজার থানা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বর্তমান সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দীন সহ বিভিন্ন পর্যায়ে ভিন্নভাবে  ত্রান নিয়ে তারা জনগণের পাশে যাচ্ছেন । তাছাড়া  জনপ্রতিনিধরা হলেন বিয়ানীবাজার উপজেলার সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব আবুল কাশেম( পল্লব), বিয়ানীবাজার উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জনাব জামাল আহমদ, বিয়ানীবাজার পৌরসভার মেয়র জনাব মোঃ আব্দুস শুকুর সহ বিয়ানীবাজার উপজেলার ১১ ইউনিয়নের সকল চেয়ারম্যান বৃন্দকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই।যদিও অর্থ প্রেরন অধিকাংশ বিদেশি যুবকরা করে থাকেন। কিন্তু মহামারির ভয় কে জয় করে দেশী শত যুবক  সাথে নিয়ে আর্থিক অনুদানগুলো সূচারুভাবে বন্টনের মাধ্যমে প্রমান করলেন দেশ প্রেম ইমানের অঙ্গ,এটি কোন ব্যবসা নয়। বিয়ানীবাজার উপজেলার তরুনরা প্রমান করলেন ,কথায় বা কারো সমালোচনায় সময় নষ্ট নয়,  জন সেবাই মহৎ গুণ।দেশের যে কোন কান্তি কালেএ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে বিয়ানীবাজার দেশী বিদেশী যুবক ও জনপ্রতিনিধির প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

সরকার ও দেশী-বিদেশী তরুণের অক্লান্ত পরিশ্রম অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে বিয়ানীবাজার উপজেলা জনগন কাছে ,কখনো তা ভুলবে না। বাংলাদেশ বহু জন প্রতিনিধি কে হার মানিয়েছে তরুনরা। কারন তারা জন প্রতিনিধি না হয়ে ও স্বস্ব স্থান থেকে জনসেবামূলক কাজ করছেন এবং তা সম্ভব তরুনদের দ্বারা। ।করোনা মোকাবেলায় মানবীয় হয়ে উঠা তরুনরাই প্রমান করতে সক্ষম ,দেশের সংকট বা দূরসময়ে তারাই পারবে অসাধ্যকে সাধন করতে। বিয়ানীবাজার উপজেলা তরুন যারা বিদেশে থাকেন , সেখানে তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে অনেক সময় হিমশিম খেতে হচ্ছে,তার পর তারা সাধারন মানুষের কথা চিন্তা করে, তাদের অভাব,অনটন কথা না ভেবে নীতিগতভাবে একমত হয়ে বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে বা একক ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন সকল ভেদাভেদ ভুলে।বহু দেশী – বিদেশী তরুন  কমিউনিটি নেতা তাদের ব্যক্তিগত সাহায্যের পাশাপাশি দেশে থাকা দোকান ও বাসার ভাড়া ভাড়াটিয়াদের মাওকুপ করে দেন।যদি তরুন প্রবাসীরা তাদের কষ্টে অর্জিত অর্থ – বিত্র বিলাসীতায় ব্যয় না করে মানবসেবার পরাকাষ্ঠা দেখান।যা সমাজের সাবার দ্বারা সম্ভব পর নয়।কারন চিত্ত আর বৃত্তের সম্মন্বয় সাধন বড়ই কঠিন কাজ ।আর এ তরুণ সেবা শুধু সেবা নয় তা আমাদের সমাজে সকল বৈষম্য দূর করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। কারন এখান থেকে আমাদের অনেক শিক্ষনীয় দিক আছে ।

যেমন ১-কাজের মাধ্যমে জান্নাত ও জাহান্নামের  ভয় ও আশার সঞ্চার হবে মনের মধ্যে।পরবর্তী প্রজন্মের মনূষ্যত জাগ্ৰত করবে।
২- সঠিক জন প্রতিনিধির পাশে থাকা এবং নতুন নেতৃত্ব তৈরি করবে।
৩-জাতির যে কোন কান্তি কালে সাহসীকতার সাথে মোকাবেলা করবে।
৪- সংকটে পড়া জনগন বা মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে উপহাস না করে তাদের মাগফিরাত কামনা করবে।
৫-আজকের দিনে ধনী -গরীব সবাই কে ঘরে থাকা বা থাকতে নিশ্চিত করা। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং তা সকলের জন্য নিশ্চিত করা।
৬- সাম্প্রদায়িক চিন্তা বা শ্রেনী বৈষম্য নয় মানবিক মুল্যবোধের প্রাধান্য ।
আমাদের সকলেরই উচিত ভাল কাজের মাধ্যমে নৈস্বর্গিক পৃথিবীতে অবিনশ্বর কীর্তি স্থাপন করে যাওয়াই মানব জীবনের স্বার্থকতা।তাই দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তি পেতে হলে জনকল্যাণকর কাজের বিকল্প নেই।