থানায় দায়ের করা অভিযোগে কলি হোসেন উল্লেখ করেন, গত ৪ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে প্রধান অভিযুক্ত জুয়েল মিয়ার সাথে মেয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে তার (কলি হোসেন) সামান্য কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে রাত আনুমানিক ৯টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে তার বাড়িতে প্রবেশ করে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্তরা কলি হোসেনের ভাই আলী হোসেনকে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়ে বাড়ির পশ্চিম পাশে একটি কাঁচা সড়কে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এতে আলী হোসেনের বুক, তলপেট, হাতের কবজি ও পায়ে গুরুতর জখম হয়। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ সময় অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
কলি হোসেন বলেন, আমার ভাইয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। সন্ত্রাণ প্রকৃতির লোকগুলো আমার ভাইকে মেরেই ফেলতো। ভাই এখন হাসপাতালে আছেন। আমি সকল কাগজপত্র আজ কালের মধ্যেই জমা দিয়ে দেবো।
অভিযুক্ত জুয়েল মিয়া বলেন, অভিযোগকারীরা মাদক কারবারি। কলি আমার বাড়ির কাছেই ইটখলায় রাতের আঁধারে একজন মেয়ে নিয়ে এসেছিল। আমার ভাতিজা দেখে আমাকে খবর করলে আমি গিয়ে নিষেধ করতেই আমার সাথে ঝগড়া লেগে যায়। এই নিয়ে কথাকাটির একপর্যায়ে তার ভাই আলী হোসেন আসে। পরে আমার ভাই ভাতিজার তাকে মারধর করে। আমি মারামারিতে ছিলাম না। অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় আজ আমার উপর মামলা হয়েছে।
দরগাপাশা গ্রামের মুরাদ চৌধুরী বলেন, এই বিষয়টি মিমাংসার জন্য উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা করছি। আশা করছি একটি সুষ্ঠু সমাধান হবে।
এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলি উল্লাহ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, অভিযোগপত্রের সাথে কিছু কাগজপত্র জমা দেওয়ার কথা ছিলো। এগুলো পাইনি। সকল কাগজপত্র হাতে পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গেছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।