সিলেটের বিয়ানীবাজারে সরকারি দুই চাকুরিজীবিসহ আরো ৩জন করোনায় আক্রান্ত

প্রকাশিত: ৬:২৭ অপরাহ্ণ, জুন ৭, ২০২০ 700 views
শেয়ার করুন

সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলায় করোনা ভাইরাসে সরকারি দুই চাকুরিজীবিসহ নতুন করে আরো ৩জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে বিয়ানীবাজার উপজেলায় করোনায় মোট ১৯ জন আক্রান্ত হলেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আবু ইসহাক আজাদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা যায়, গতকাল রাতে বিয়ানীবাজার উপজেলার ৪টি নমুনার টেস্ট রিপোর্ট এসেছে। তন্ময় ৩ জনের রিপোর্ট পজেটিব আসে। করোনায় নতুন আক্রান্তরা হলেন, সোনালী ব্যাংক বৈরাগীবাজার শাখার ব্যাবস্থাপক শফিকুল ইসলাম (৩৫), পৌরশহরের ফতেহপুর বসবাসকারী ট্রাফিক সার্জেন্ট শরিফ উদ্দিন (৩৬) ও পৌরসভার কসবা নাদুর গোষ্ঠীর আরিফ আহমদ (২৮)।

নতুন সনাক্ত হওয়া ০৩ জনের মধ্যে ০২ জনের বাড়ি লকডাউন করে তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।তাদের বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অপরজন সোনালী ব্যাংকের শাখা ম্যানেজার শফিকুল ইসলামের বাড়ি লকডাউন করতে গিয়ে জানা যায় তিনি নির্দেশনা উপেক্ষা করে হোম কোয়ারেন্টাইন না মেনে ইতিমধ্যে বাড়ি ছেড়ে জকিগঞ্জে শশুর বাড়ি চলে গেছেন। তাই তাঁকে সেখানেই থাকতে বলা হয়েছে এবং তাঁর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে জকিগন্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সোনালী ব্যাংকের ঐ শাখার করোনা পজেটিব রোগী অপর কর্মকর্তা জুয়েল রানা (৪৫) বৈরাগী বাজারের বাসায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। কিন্তু গতকাল সকালে কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনিও স্থানান্তিত হয়ে নিজ বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলায় চলে গেছেন।

এদিকে, গতকাল ৬জুন এ উপজেলায় একদিনে রেকর্ড ৬২ জনের নতুন নমুনা টেস্টের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। এ নিয়ে সর্বমোট প্রেরণকৃত নমুনাঃ৩৮৮, সর্বমোট প্রাপ্ত ফলাফলঃ ২১২, পজিটিভঃ ১৯, নেগেটিভঃ ১৯৩, মোট সুস্থঃ ০৫, মোট মৃত্যুঃ০২, ফলাফল অপেক্ষমানঃ ১৭৬, হোম কোয়ারেন্টাইনঃ ২৬৫, হসপিটাল কোয়ারেন্টাইনঃ ০৩ জন রয়েছেন।

উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত বিয়ানীবাজার উপজেলায় দুজন রোগী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের একজন তিলপারা ইউনিয়নের মাটিজুরা( মালোপাড়া) গ্রামের আবুল কাশেম ও অপরজন মুড়িয়া ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামের তমছির আলী।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানিয়েছে, খাসাড়ীপাড়ার রোগী আলী আহমদ কুনু মিয়া আগের চেয়ে বেশ ভালো বোধ করছেন। ফতেহপুর, মোল্লাপুর, নালবহর, খাসা ও নয়াগ্রামের রোগীরা ভাল আছেন। চারখাই আদিনাবাদের রোগী সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি সুস্থ আছেন।