শান্তিগঞ্জের পশ্চিম পাগলায় বিএনপির কর্মী সভা

প্রকাশিত: ৯:২১ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৬, ২০২৪ 448 views
শেয়ার করুন

শান্তিগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নে কর্মী সভা করেছে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনসমূহ। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া ব্রাহ্মণগাঁও হোসেনপুর পয়েন্টে এই কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মী সভায় সভাপতিত্ব করেন- পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন বিএনপির প্রবীণ নেতা জমিরুল হক।

ইউপি সদস্য আতিকুর রহমান আতিক ও যুবদল নেতা কামরুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন- সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ। প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি বলেন, স্বৈরাচারী খুনি হাসিনার আমলে আমরা শান্তিপূর্ণ মিছিল পর্যন্ত করতে পারিনি। আমাদের মতামত জানিয়ে একটি লিফলেট বিতরণ করলেও তার পেটুয়া পুলিশ বাহিনী আমাদের তাড়িয়ে দিয়েছে। যৌক্তিক আন্দোলন করতে দেয়নি। আওয়ামীলীগ বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছিলো। বাংলাদেশকে একটি জিম্মি রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলো ফ্যাসিস্ট হাসিনা। পালিয়ে যাওয়া সরকার আমাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলা করে দিয়েছিলো। গত ১৫টি বছর আমরা পালিয়ে থেকেছি।
তিনি বলেন, এখন একটি নতুন এবং মানুষের আকাঙ্কার বাংলাদেশ তৈরি হয়েছে৷ আমরাও নতুন এক সোনালী বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা ভোটের মালিক ছিলাম কিন্তু ভোট দিতে পারিনি। মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকার ছিলো না। ভোটের অধিকার আদায় করতে গিয়ে দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয়েছে। এই সংগ্রামে বিএনপির সিনিয়র নেতা এম ইলিয়াছ আলীসহ অসংখ্য সহযোদ্ধাদের হারিয়েছি আমরা। আগামীতে আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চাই৷ এই স্বপ্ন দেশ নায়ক তারেক রহমানও দেখেন। এসময় বিএনপির নিষ্ক্রিয় কর্মী সমর্থকদের সক্রিয় হওয়ার আহ্বান করেন তিনি।
কর্মী সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন- পাথারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রশিদ আমিন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেম নাঈম, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল হক, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহীন মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাস্টার শফিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান, সাদিকুল ইসলাম, আলা উদ্দিন আলাই, যুবদল নেতা শের জাহান ও বিশাল দেব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি নেতা হাজি কমরু মিয়া, নূরুল ইসলাম, শহিবুর রহমান, বশর মিয়া, নূর মিয়া, রহমত আলী, রাঙ্গু মিয়া, মনোয়ার হোসেন মনু, শাহ জামাল, আবদুল তাহিদ, হাফিজ আহমদ, আবদুস সালাম, সিরাজুল মিয়া, খাইরুল মিয়া, আবদুল আজিজ, মোস্তাকিন মিয়া, হারুন মিয়া, রাফিক নূর, যুবদল নেতা মিয়া সাইফুল, আবু সাঈদ, মিজানুর রহমান, ইজাজ মিয়া, রিপন আহমদ, রুয়েল মিয়া, ছাত্রদল নেতা মানছুর আহমদ ও  রাকিব আহমদ প্রমুখ।