আগামী প্রজন্মকে বাংলাদেশের ইতিহাস জানাতে হবে – কনসাল জেনারেল

আমিনুল হক আমিনুল হক

বায়ান্ন টিভি

প্রকাশিত: ৩:১৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৪ 100 views
শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি পাওয়ার পর দেশ-বিদেশে বাংলা ভাষার মর্যাদা বেড়েছে। মহান ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভীত রচিত হয়েছিল। বাংলাদেশের পাশাপাশি প্রবাসীরাও প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। দেশকে ভালবেসে প্রবাসীরা বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জড়ো হন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে বাংলাদেশ কন্সুল্যেট দুবাইয়ের প্রাঙ্গনে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেনের নেতৃত্বে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসের কার্যকম শুরু হয়। প্রবাসী বাংলাদেশিরা দল মত নির্বিশেষে নিজ ভাষা ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কন্সুল্যেট প্রাঙ্গনে জড়ো হন।

প্রথমে বাংলাদেশ কনস্যুলেট কন্সুল্যেট দুবাই ও উত্তর আমিরাতের কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেনের নেতৃত্বে কনস্যুলেটের সকল কমকর্তারা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। পরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, জনতা ব্যাংক, বাংলাদেশ সমিতি দুবাই, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, আমিরাত আওয়ামীলীগ, দুবাই আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব সহ দুবাই ও উত্তর আমিরাতের ৬টি প্রদেশের ৫০ টির অধিক সামাজিক ঈ সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন।

একুশে ফেব্রুয়ারি বিকালে বাংলাদেশ কন্সুল্যেটের হলরুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান আশফাক হোসেন এর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেন।

তিনি বলেন, প্রবাসে বেড়ে উঠা পরবর্তী প্রজন্মকে সঠিকভাবে বাংলাভাষা শিক্ষা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে শিক্ষা দিতে সচেতন ও আন্তরিক হয়ে বাংলা ভাষার চর্চা করতে হবে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সহ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তাদের জানাতে হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের পরে মহান শহীদদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এছাড়া প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন এবং দিবসটির তাৎপর্য বিষয়ে দুবাই ও উত্তর আমিরাতে বসবাসরত বিভিন্ন বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতারা বক্তব্য প্রদান করেন।

শেষে ২১শে ফেব্রুয়ারি আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।