ভ্যাক্সিন না নিয়েই করোনার সার্টিফিকেট প্রদান, ভ্যাক্সিন দেয়ার কথা বলে টাকা আদায়সহ আরও নানা অভিয়মের অভিযোগে সিলেট সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্যবিভাগের কর্মী রাহাত কারগার থেকে বেরিয়ে পূনরায় চাকরি তে যোগদানের জন্য সিলেট সিটি কর্পোরেশন অবাধ বিচরণ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এর নেপথ্যে কে বা কারা আছেন জনমনে এখন এই প্রশ্ন।
জানা যায় গত অক্টোবর ২০২১ করোনার ভ্যাক্সিন না নিয়েই কেউ কেউ ভ্যাক্সিন নেয়ার সার্টিফিকেট সংগ্রহ করছেন- এ ধরনের অভিযোগ পাওয়ার পর স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের টনক নড়ে। তারা চোখ কান খোলা রেখে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় তারা ঘটনার সাথে রাহাতের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত হন।
পাশাপাশি সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরের বিশ্বনাথ ও বালাগঞ্জের কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও উঠে আসে তাদের পর্যবেক্ষনে।
এই চক্রটিকে ধরা সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে অসম্ভব বিবেচনায় তারা স্বাস্থ্যবিভাগে মাষ্টার রোলে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী রাহাতকে গত ০৬/১০/২০২১ ইং তারিখে কোতোয়ালী থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে সিসিক’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার জাহিদুল ইসলাম।
জানা যায় কোতোয়ালী থানা পুলিশ সিসিক’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের লিখিত অভিযোগ দেয়ার কথা বললেও তা আর হয়নি। রাহাতকে পুলিশ পরদিন আদালতে সোপর্দ করেন।
জামিনে বের হয়ে কয়েকদিন ধরে রাহাত সিলেট সিটি কর্পোরেশনে অবাধ বিচরণ করছেন কার ইশারায় বা নেপথ্যে কে আছেন সেটিই এখন জনমনে প্রশ্ন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের একজন কর্মচারী জানান, রাহাত করোনা ভেকসিন না দিয়ে সার্টিফিকেট দেয়া ও ভেকসিন দেয়ার নামে টাকা আদায়ের দায়ে কারাগারে যান। কিন্তু সম্প্রতি রাহাত জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও সিলেট সিটি করপোরেশনে তার সিন্ডিকেটকে সক্রিয় করে অনিয়ম ও দূর্নীতির কার্যকলাপ শুরু করেছে এবং তার সাময়িক চাকরিচ্যুত বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে চাকরিতে পুনর্বহালের জোর তদবির চালাচ্ছে।
মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নিকটজন হিসেবে পরিচিতির কারনে রাহাতের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয়া যায়নি ও তার দ্রুত জামিন মঞ্জুরের কাজ চালানো হয়েছে বলে সচেতন মহল মনে করেন।
এ বিষয়ে জানতে রাহাতের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেননি।


