শান্তিগঞ্জে আজিজুন নেছা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে চু-রি, তালা-দরজা না ভেঙেই ২৫ কম্পিউটার চু-রি করে নিয়ে গেছে চো-র
গত ফেব্রুয়ারি মাসে নবনির্মিত সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার আজিজুন নেসা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট ঠিকাদারদের কাছ থেকে বুঝে নেওয়ার পর অরক্ষিত অবস্থায় আছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, প্রহরী ও অন্যরা থাকলেও কেউ ভবনে অবস্থান করেন না। এই সুযোগে চু-রির ঘট-না ঘটেছে প্রতিষ্ঠানটিতে। চো-র তালা ও দরজা না ভেঙেই প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২৫টি কম্পিউটার, একটি ল্যাপটপ ও একটি আইপিএস চু-রি করে নিয়ে গেছে।
তবে কবে চু-রি হয়েছে, সে বিষয়ে কিছুই জানে না কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় ভবনের নিরাপত্তায় নিযুক্ত আউটসোর্সিংয়ের তিন কর্মীকে আ-টক করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, কবে চু-রি হয়েছে কর্তৃপক্ষ না জানলেও গত ২৩ অক্টোবর তারা শান্তিগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে। সেখানে কবে চু-রি হয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেনি তারা।
জিডিতে নির্মাণ প্রতিষ্ঠান স্টারলাইট কম্পানির নিয়োগকৃত তিনজন নিরাপত্তাকর্মী জড়িত থাকার সন্দেহ করেছে কর্তৃপক্ষ। চু-রি যাওয়া জিনিসপত্রের মূল্য প্রায় ২৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
প্রতিষ্ঠানের সুপারিটেনডেন্ট ফজলে রাব্বি পরাগ জিডিতে উল্লেখ করেন, ভবন নির্মাণে যুক্ত স্টারলাইট কম্পানি শুরু থেকেই তাদের নিরাপত্তারক্ষী দিয়ে কাজটি বাস্তবায়ন করছিল। ২০২৪ সালের ৯ জুন কম্পিউটার ল্যাবে এনে এসব পণ্য রাখে তারা।
চু-রির ঘট-নায় কম্পানি কর্তৃক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত স্থানীয় যুবক তারেক, আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত হাফিজুল ইসলাম, মো. কামরুজ্জামানসহ অজ্ঞাতপরিচয় কিছু চোর জড়িত বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি। ২৮ অক্টোবর এই তিনজনকে গ্রে-প্তা-র করেছে পুলিশ।
ফজলে রাব্বি পরাগ বলেন, ‘আমি মাত্র এক মাস আগে যোগদান করেছি। এর আগে সুনামগঞ্জ টেক্সটাইলে একজন ইনস্ট্রাক্টরের দায়িত্বে ছিলেন। আমি আসার পর অফিসের কাজের জন্য ল্যাপটপ ব্যবহার করতে নিরাপত্তারক্ষীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাঠালে তাঁরা এসে দেখেন কম্পিউটার ল্যাবে কিছুই নেই। আশা করি পুলিশের তদন্তে বিষয়টি বেরিয়ে আসবে।’
শান্তিগঞ্জ থানার ওসি মো. আব্দুল আহাদ বলেন, ‘সাধারণ ডায়েরির পর আমরা সন্দেহভাজন তিনজনকে গ্রে-প্তার করেছি। তাঁদের কাছ থেকে-চু-রির তথ্য জানতে ও মালপত্র কোথায় আছে, সেটা বের করতে তদন্ত চলছে।’


