ঘোপাল বাসীকে শান্তিতে রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ঘোপাল তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শাহীন মিঞা
শাখাওয়াত হোসেন শাখাওয়াত হোসেন
বায়ান্ন, ফেনী
বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অর্জনের পাল্লা, সুনামের খাতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। সময়ে সময়ে আলোচনা- সমালোচনায় পুলিশের খারাপ দিকগুলোই বেশি মুখরোচক হয়ে ওঠে। পুলিশ যে জনগণের বন্ধু, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করার পাশাপাশি তারা যে মানবিক কাজের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই তা আমরা ভুলে যাই।
দু-একজনের অপকর্মে পুরো পুলিশ বাহিনীকে সমালোচনায় বিদ্ধ করি আমরাই। তবে পুলিশ বিভাগে রয়েছে হাজারো শাহীন মিঞার মতো মানবিক পুলিশ অফিসার। যারা সাধারণ মানুষকে সহযোগিতার মতো মানবিক কাজগুলোও নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরও সাধারণ মানুষের খোঁজ নেয়া কয়জনই বা করার সুযোগ পান। কথাগুলো যার সম্পর্কে বলা হচ্ছে তিনি হলেন ঘোপাল তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক শাহীন মিঞা ।
বর্তমানে তার নৈতিক দায়িত্বের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে কাজ করে যাচ্ছেন ঘোপাল তদন্ত কেন্দ্রের অন্যসব পুলিশ সদস্যরাও। ফেনী জেলার সবচেয়ে ডেঞ্জার এলাকা হিসেবে পরিচিত ঘোপাল।বেপরোয়া এই এলাকাকে শান্ত করতে অনেকে হয়েছে নাজেহাল। এই অশান্ত ঘোপাল কে শান্ত করার জন্য দূত হয়ে এসেছেন পুলিশ ইনচার্জ শাহীন মিঞা। ইদানীং আশেপাশে অনেক জায়গা বেড়েছে চুরিডাকাতি।
ঘোপাল ইউনিয়ন ও শুভপুর ইউনিয়ন বাসীকে শান্তিতে রাখতে চুরিডাকাতি নির্মূল করতে শাহীন মিঞা নিজে রাতে পুলিশ পাহারার ব্যবস্থা করেছে। শাহীন মিঞার নেতৃত্বে তদন্ত কেন্দ্রে চলছে ধারাবাহিক ভাবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মসজিদের ইমাম,সুশীল সমাজ ,বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ব্যক্তিদের নিয়ে প্রতি মাসে আইনশৃঙ্খলা মিটিং। ঘোপাল ইউনিয়নে বাজারে বাজারে টল পুলিশের ব্যবস্থা করেছে।ঢাকা-চট্রগ্রামে হাইওয়ে অনেক যাত্রী গভীর রাতে বাড়ী ফিরে।
শাহীন মিঞা বলেন” ঐসব যাত্রী নিশ্চিন্তভাবে বাড়ী ফেরার দায়িত্ব পুলিশের।তাই ঘোপাল তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সব সময় সেবা দিতে প্রস্তুত। পূর্বে মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারি সংখ্যা ছিল বেশী।ইদানীং অনেক কমেছে বলে মনে করেন এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজ।অত্র জনপথের মাদকের আতংক অফিসার ইনচার্জ শাহীন মিয়া। হাইওয়ে, বিভিন্ন রাস্তায়, নিরব এলাকায় সব স্থানেস্থানে সিভিল ড্রেসে ডিউটি ব্যবস্থা করেছে শাহীন মিয়া।
শাহীন মিঞা বলেন “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে যে জিরো টল্স নীতি অনুসরণ করতে বলেছে তা আমরা মেনে চলছি।ঘোপালকে মাদক মুক্ত করায় আমার মূল লক্ষ বলে জানান শাহীন মিঞা। অত্র জনপথের কিশোর গ্যাং যাতে মাথাছাড়া দিয়ে না উঠতে পারে তাই প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এসময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ২০৪১ সালে আমরা যে উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি সে উন্নত বাংলাদেশের আমরাই হবো উন্নত পুলিশ। ইনচার্জ শাহীন মিঞা মানবিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও পুলিশ এমন মানবিক আচরণ করবে সাধারণ মানুষের সাথে।


