আবুধাবীস্থ দূতাবাসে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিক পালন

প্রকাশিত: ৪:৩০ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৭, ২০২৩ 186 views
শেয়ার করুন

 

আবুধাবিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর ১০৩তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস-২০২৩ উদযাপন করা হয়। দূতাবাস ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দূতাবাসে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ জনতা ব্যাংক লি., বাংলাদেশ বিমান, বাংলাদেশ স্কুল, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার স্থানীয় প্রতিনিধিবৃন্দ এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী উপস্থিত ছিলেন।

আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সংগীত পরিবেশনার সাথে পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। এরপর, মান্যবর রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক স্থাপন করা হয়। উপস্থিত বিভিন্ন সংগঠন এবং ব্যক্তিবর্গ অতঃপর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরবর্তীতে, পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। অনুষ্ঠানের পরবর্তী আয়োজন ছিলো বাণী পাঠ এবং বঙ্গবন্ধুকে উদ্দেশ্য করে রচিত গান ও তাঁর জীবনের উপর নির্মিত ডকুমেন্টারি প্রদর্শন।

উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশী সংগঠনের বক্তাগণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রদত্ত ভাষণে বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বদানের কথা এবং তাঁর সংগ্রামমুখর জীবনের বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোকপাত করেন। তারা বলেন, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করাই ছিল বঙ্গবন্ধুর আজীবনের লালিত স্বপ্ন। মহান এ নেতার সে স্বপ্ন পূরণে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহবান জানান তারা ।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। বঙ্গবন্ধুর সমগ্র রাজনৈতিক সাধনার দিকে লক্ষ্য রেখে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর রাজনৈতিক জীবনের প্রায় সমগ্রটাই ব্যয় করেন এ দেশের মানুষের মুক্তি ও কল্যাণের জন্য যার ফলশ্রুতিতে আমরা পেয়েছি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মন্তারে বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা ছড়িয়ে পড়বে এবং যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আমাদের মহান মুক্তিযোদ্ধাগণ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন সেই সুখী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনা ও নেতৃত্বে রুপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ পদক্ষেপের মাধ্যমে বাংলাদেশ অচিরেই একটি উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করে করেন তিনি । সবশেষে, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয় এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর ১০৩তম জন্মদিবসের কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।