মাদক ও বাল্যবিয়ে নিয়ে ‘হ্যালো ডিসি’তে তথ্য দিলেই মিলবে পুরস্কার

তপু ঘোষাল তপু ঘোষাল

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ২:০৯ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ 22 views
শেয়ার করুন

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। এসব বিষয়ে ‘হ্যালো ডিসি’ প্ল্যাটফর্মে তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করলে দেওয়া হবে পুরস্কার। একই সঙ্গে তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা জেলার কোথাও মাদকদ্রব্যের ব্যবহার, বিক্রি বা সরবরাহ এবং বাল্যবিবাহের আয়োজন বা উদ্যোগের তথ্য জানা থাকলে তা ‘হ্যালো ডিসি’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনকে জানানো যাবে। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাদক ও বাল্যবিবাহের মতো সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের একার পক্ষে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য সাধারণ মানুষের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। স্থানীয় পর্যায়ে এসব অপরাধের তথ্য দ্রুত প্রশাসনের কাছে পৌঁছালে সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ‘মাদক ও বাল্যবিবাহ সমাজের জন্য বড় ধরনের হুমকি। এসব অপরাধ প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। কেউ কোথাও মাদকদ্রব্যের ব্যবহার, বিক্রি বা সরবরাহ কিংবা বাল্যবিবাহের আয়োজনের তথ্য জানতে পারলে “হ্যালো ডিসি”র মাধ্যমে তা জানাতে পারবেন।’

তিনি বলেন, তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি যারা দায়িত্বশীলভাবে তথ্য দিয়ে মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন, তাদের উৎসাহিত করতে পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানায়, মাদক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজ নিজ এলাকার সমস্যা ও অপরাধের তথ্য জানাতে পারবেন। তথ্য জানাতে যবষষড়ফপ.নফ ওয়েবসাইটে ভিজিট অথবা গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপে গিয়ে তথ্য প্রদান করা যাবে অথবা সরাসরি কল করা যাবে ০৯৬৩৯০০৬০৬০ এই নাম্বারে। সঠিক তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রেখে অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং তথ্যদাতার ঠিকানায় উপহার পৌঁছে যাবে।

প্রশাসনের প্রত্যাশা, এ উদ্যোগের ফলে মাদক ও বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ আরও জোরদার হবে এবং অপরাধ সংঘটনের আগেই তা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।