সেপ্টেম্বর সেশনে বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের জরুরীসেবা দিতে হবে

প্রকাশিত: ১:৪৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৯, ২০২১ 320 views
শেয়ার করুন
  • 126
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    126
    Shares

সেপ্টেম্বর সেশন খুব নিকটে কয়েক হাজার ছাত্র-ছাত্রী অফার লেটার ফি এবং টিউশান ফি দিয়ে রেখেছে এ্যাম্বাসী ফেইস করবে সেপ্টেম্বর সেশনে দেশ এবং দেশের বাইরে – অন্যকোনদেশ থেকে। কিন্ত মহাবিপদ ঘটেছে করোনার কারণে, এপ্রিল-মে করোনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়,বোর্ডগুলো কার্যক্রম করতে পারে নাই স্বাভাবিক ভাবে,জুন মাসে কিছু কাজ হলো, কিন্তু বাঁধ সাধলো সাটডাউন। কিন্তু বিশ্বের উন্নত দেশে আর অনুন্নত দেশ সবাই জরুরী ক্ষেত্রে এসব সেবা ভার্চুয়ালি সমাধান দিচ্ছে। নিমিষে শেষ হচ্ছে ঝামেলা। আমরাও এর নিশ্চয়তা চাই, শিক্ষার্থীদের চলার পথ অব্যাহত রাখতে সময়যোপযোগি পদক্ষেপ লাগবেই।

সত্যিকার অর্থে করোনায় ব্যাপক তাণ্ডব চলছে। এর মধ্যেই আমাদের চলতে হচ্ছে। আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে রেমিটেন্স কিংবা গার্মেন্টস খ্যাত। গার্মেন্টস খ্যাত সরকার দক্ষ হাতে চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে এদেশের জনশক্তি বিভিন্ন নামে বিভিন্ন মাধ্যমে বিদেশে যায়, যার অন্যতম মাধ্যম গুলোর একটি–স্টুডেন্ট ভিসা।

এই ধরুন করোনায় অনেকেই খালি হাতে ফিরেছেন মধ্যপ্রাচ্য কিংবা এশিয়ার দেশগুলো থেকে এবং কয়েক হাজার ফেরার অপেক্ষায় আছেন। অনেকেই স্টুডেন্ট ভিসার এপ্লাই করেছেন দুবাই,সৌদি,মালেশিয়া,কাতার সহ বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপে যাওয়ার জন্য এরা আছেন মহাবিপদে, অনেকেরই এই সেশন চলে গেলে ভিসার মেয়াদ ও ফুরিয়ে যাবে,দেশে ফিরতে হবে বাধ্যতামূলক।

অনেকেই ব্যাংক স্টেটমেন্ট কিংবা টিউশন ফি দিয়েছেন ধার দেনা করে সময় মত এম্ব্যাসি না দাঁড়াতে পারার জন্য,আছেন বিশাল চাপের মধ্যে। নিশ্চয়তা নেই তাদের। তবে বিশ্বের সকল দেশে জরুরী কাজের জরুরী সেবা ২৪/৭ হচ্ছে। বাংলাদেশেও যে এমন হচ্ছে না তা কিন্তু নয়। তবে এই সময়ে শিক্ষা খাতকে প্রধান্য দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করাটা জরুরী।

এত এত সমস্যা নিয়ে মধ্যবিত্ত ছাত্ররা আছেন বেশী সমস্যায়,এই সেমিস্টার পরে অনেকের আবার স্টাডি গ্যাপ সহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য ভিসা না হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে পরবর্তী সেমিস্টারে।

এ রাষ্ট্র যারা চালান, আপনারা কি আপনাদের এই সন্তানগুলোর কথা ভাববেন ?

দয়াকরে এখনই,জরুরী সেবায় আওতায় শিক্ষামন্ত্রনালয়,বৈদেশিক মন্ত্রনালয়,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়,শিক্ষাবোর্ড গুলোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং কুরিয়ার সেবার মাধ্যমে অন্তত সার্টিফিকেট, মার্কসীট,ট্রান্সক্রিপ্ট,উত্তোলনএবং এটাস্টেশান সহ প্রয়োজনীয় সেবা গুলো চালু করেন।
যাতে ছাত্র নামের শ্রমিকরা দেশের বাহিরে এক্সপোর্ট হতে পারে,তাতে অন্তত দেশের রিজার্ভ কিছুটা বাড়বে,কিছু পরিবার সাবলম্বী হবে এবং কিছু মানুষ লেখাপড়া শেষ করে দেশে এসে এদেশের হাল ধরবে।

যেহেতু সময় অনেক কম সেহেতু সিদ্ধান্ত নিতে হবে খুবই দ্রুত। অপেক্ষায় থাকছি নীতি নির্ধারকদের কাছে পৌছা অবধি….

সাদেক হোসেন তাপাদার, কুয়ালামপুর, মালয়েশিয়া